'School Code: 1170 , School EIIN: 130916'

সৃস্টিশীল, মেধাবী ও সুন্দর মনের মানুষ তৈরির প্রথম সোপান হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যুগের চাহিদা পূরনের লক্ষে এবং কার্যকর ও সুসমন্মিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে ২০০৪ সালে গড়ে তোলা আমিরজান হাই স্কুল ২০১৭ সালের ২ ডিসেম্বর সাফল্যময় ১৩ বছর অতিবাহিত করেছে। শিক্ষকদের সার্বক্ষনিক পরিচর্চা এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাব কদের আন্তরিক প্রচেস্টায় পি.ই.সি, জে .এস.সি ও এস. এস.সি তে অসাধারণ ফলাফলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে।

মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গিকার পূরনে এবং একবিংশ শ্তাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমাদের সার্বিক প্রয়াস প্রতিষ্ঠানটিকে যগোপযোগী করে গড়ে তোলা। এর জন্য প্রতি বছরই আমরা অন্যান্য উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংগতি রেখে চাহিদা অনুযায়ী নব সংযোজন ঘটিয়ে চলেছে। আধুনিক শিক্ষার বাস্তবায়নে তাই রয়েছে উন্নত শ্রেনিকক্ষ, বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেরী, শীতাতপ নিয়ন্রিত কম্পিউটার ল্যাব এর সু-ব্যবস্থা।

" Talent or potentialities is nothing but an inner spirit that uplifts and accelerates the hidden treasure lying in any living being" আমি আমার ব্যক্তি জীবনে বশিক বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হয়ে এতটুকু বুঝেছি যে, শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য সিলেবাস ভিত্তিক পড়াশুনার পাশাপাশি শিক্ষাথীর সুপ্ত প্রতিভার সঠিক বিকাশ প্রয়োজন । শিক্ষার গুনগত মান ও কাঠামোগত দিক থেকে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা অত্যান্ত সমৃদ্ধ করে গরে তোলার সার্বিক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি । তারেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শৈল্পিক সত্তার বিকাশে রয়েছে হাউজ ভিত্তিক সহ শিক্ষাকার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অবুশীলনের ব্যবস্থা।

ডুমনি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ায় একটা সময়ে এস,এস,সি পাশের পর এলাকার অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যেত।সেসব বিবেচনায় আমরা ২০১২সালে আ্মিরজান কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। ভবিষ্যাতে শিক্ষার্থীদের উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য আমিরজান কলেজকে বিশ্ববিদ্যছলয় কলেজে রুপান্তর করার পরিকল্পনা চলছে। আমিরজান স্কুল ও কলেজর পাশাপাশি অন্যান্য স্কুল কলেজেও শিক্ষার মানে উন্নয়নে এবং দেশ ব্যাপি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর ফলস্বরুপ বাংলাদেশ সরকার আমাকে 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০১১ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী' হিসাবে সম্মানিত করেছেন। এর জন্য আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।

মানব সম্পদ উন্নয়নের মূল উপাধান যেহেতু শিক্ষা তাই সারা দেশে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আমরা গড়তে চাই কুসংস্কার ও অজ্ঞতার অন্ধকারমুক্ত এবং গোড়ামী সংকীর্ণতার উধ্বে একটি সমৃদ্ধ দেশ ও জনপদ। দেশ ও জাতিকে আলোকিত মানুষ উপহার দেয়ার এই মহৎ কর্মযজ্ঞে আমি এলাকাবাসীর সার্বীক সহযোগিতা কামনা করছি।

মোঃ জিল্লুর রহমান

চেয়ারম্যান- আমিরজান হাই স্কুল ও আমিরজান কলেজ

শিক্ষার্থীর জ্ঞান অর্জনের পাদপীঠ হচ্হে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির উতকর্ষএর যুগে শিক্ষা কেমন হওয়া উচিত এ প্রশ্নের সহজ কোন উত্তর নেই। তবে আমার মতে, শিক্ষা এমন হবে, যার মাধ্যমে বিজ্ঞান মনষ্ক, মানবিক গুনাবলির অধিকারী, দক্ষ ও দূর দৃষ্টি সম্পন্ন মানুষ গড়া সম্ভব।

২০০৪ এ প্রতিষ্ঠিত "আমিরজান হাই স্কুল" এ লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। অত্র এলাকার কোমল মতি ছেলে মেয়েদের আধুনিক বিশ্বের সাথে শুধু পরিচিত করাই নয়, আধুনিক বিশ্বের উপযোগী করে গড়ে তোলার প্রচেষ্ঠায় আমিরজান হাই স্কুল নিয়োজিত। সম্মানিত অভিভাবক, এলাকার বিশেষ ব্যক্তি বর্গ ও একনিষ্ট যোগ্য শিক্ষকগনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্কুলের ফলাফল ও সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানের দূর-দূরান্তের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ আমিরজান হাই স্কুলের প্রাজ্ঞন মূখরিত করছে। তারা স্বনামধন্য স্কুল গুলির সমমানের শিক্ষা পদ্ধতি অপেক্ষাকৃত কম খরচে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন। ফলে পর্যাক্রমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি পরিচলনা পর্ষদ, ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকগনের সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা আমাদের শিক্ষা কর্যক্রম পূর্নাজ্ঞ করতে সক্ষম হবো। আমিরজান হাই স্কুলের সকল শূভাকাংখীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুর রহমান

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক- আমিরজান হাই স্কুল ও আমিরজান কলেজ
যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। তাই দেশ ও জাতিকে উচ্চ শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার অভিপ্রায়ে খিলক্ষেত থেকে মাত্র চার কিলোমিটার পূর্বে. পূর্বাচল তিনশত ফিট হাইওয়ের নিকটবর্তী ডুমনীতে ২০০৪ সালের ১ লা জানুয়ারি আমিরজান হাই স্কুলের শুভ যাত্রা।

প্রত্যেকটি কাজের একটি লক্ষ্য থাকে। ২০১৪ সালে আমিরজান হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার পেছনে আমাদের তেমনি একটি লক্ষ্য ছিল ডুমনী গ্রামে আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে গ্রামটিকে উন্নত করা। আজ আমি স্বগর্ভে বলতে পারি আমরা সফল হয়েছি। আজ ডুমনী গ্রামের প্রত্যেক বাবা -মা, অভিভাবক - মিটিং এ অংশ গ্রহন করেন। পড়ার সময় তাদের সন্তানদের পাশে বসে থাকেন। প্রতিটি মিটিং এ তাদের কাছ থেকে পাই নতুন নতুন পরামর্শ, পাই সমস্যা সমাধানের পথ। তাই সকল পাবলিক পরীক্ষায় ১০০% পাশের সফলতা অর্জনে সফল হয়েছি আমরা। সম্মানিত অভিভাবক এবং বিজ্ঞ সমাজ, আপনাদের আকাঙ্ক্ষা পুরনের লক্ষে প্রথম সফলতার পর ২০১৮ সাল হতে গ্রহন করতে যাচ্ছি নতুন পদক্ষেপ। আমাদের এবারের ভিশন-২০২১ " সকল পাবলিক পরীক্ষায় ১০০% A+ অর্জন" ।

প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে মাত্র পাঁচ বছরে আমিরজান কলেজকে আমরা স্বনামধন্য কলেজের মধ্যে একটি কলেজ হিসেবে প্রতিষ্টিত করতে পেরেছি এবং আমিরজান হাই স্কুল যেমন মেধা তৈরীর কারিগর হিসেবে পরিচিত তেমনি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই শিক্ষার্থীদের মেধার আলো। আমাদের এই দুর্গম পথের সাথী হিসেবে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

আমিরজান স্কুলকে সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে তোলাই আমাদের অঙ্গিকার।

মোঃ ছাইদুর রহমান (দিপু)

প্রতিষ্ঠাতা- আমিরজান হাই স্কুল ও আমিরজান কলেজ

আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিরজান হাই স্কুল ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর সুনামের সাথে ১৪ বছর সম্পন্ন করেছে। ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বর এক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে নিরিবিলি পরিবেশে প্লে হতে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত মাত্র ২৪০ জন শিক্ষার্থী ও ৯ শিক্ষক/শিক্ষিকা নিয়ে আমিরজান হাই স্কুল যাত্রা শুরু হয় । স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের লক্ষ্য অর্জনের দৃঢ় প্রত্যয়, শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের আন্তরিকতায় একটি প্রতিষ্ঠান কত দ্রুত সফল হতে পারে তার বাস্তব উদাহরণ আমিরজান হাই স্কুল।

১৪ বছর পর বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১২শ এর অধিক শিক্ষার্থী ও ৪৫ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর হতেই প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি গোল্ডেন A+, A+ সহ ১০০% পাশের সফলতা অর্জন করেছে। প্রাথমিক ও জুনিয়র পর্যায়ে ট্যালেন্টপুল সহ ১৪০ টি সরকারি বৃত্তি অর্জন করেছে। শিক্ষার্থীরা শুধু শিক্ষা নয় নানাবিধ গুনাবলী অর্জনের মাধ্যমে ব্যক্তিক উন্নয়নের দীক্ষােও অর্জন করছে। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি যারা আমার ডাকে সারা দিয়ে বিদ্যালের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগী হয়ে এগিয়ে এসেছেন, একই সাথে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এলাকার গন্য মান্য ব্যাক্তিদের প্রতি যারা সর্বদাই আমাকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

আমিরজান হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠার পর ২০১২ সালে আমিরজান কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অদূর ভবিষতে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিকল্পনা চলছে। গত ১৪ বছরের ধারাবাহিক সফলতা, আমাদের আত্নবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই আত্নবিশ্বাস এবং আমার সহকারী শিক্ষকদের দলীয়ভাবে কাজ করার মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে স্কুলকে দেশের ১ম সারির স্কুলে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য। দেশ ও দশের সেবায় যে দায়িত্ব নিয়েছি তা সুষ্ঠুভাবে পালনে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

তারিকুল ইসলাম

প্রধান শিক্ষক - আমিরজান হাই স্কুল