সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

শিক্ষাহীন মানুষের জীবন অভিশাপ্তগ্রস্ত। তাই ডুমনী গ্রামের মত প্রত্যন্ত জনপদে উন্নতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি। সেই প্রত্যাশার সাথে একাত্মতার ঘোষণা দিয়ে আলহাজ্জ্ব আব্দুস সামাদ ব্যাপারী ও আমিরজান বেগমের সুযোগ্য দৌহিত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ মুজিবুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী জনাব মোঃ ছাইদুর রহমান দিপু এবং বিদ্যোৎসাহী ও ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী (বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত স্বীকৃতি) জনাব মোঃ জিল্লুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রায় তিন বিঘা দশ কাঠা জমির উপর নির্মিত চার তলা ভবন নিয়ে ২০০৪ সালের এক শুভলগ্নে প্রতিষ্ঠিত হয় আমিরজান স্কুল। যা আজ এক বিশাল পরিসরে বিস্তৃত।২০০৯ সালে প্রথম এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা এস এস সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে গৌরবসূচক ফলাফল অর্জনে সফল হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে সগৌরবে এগিয়ে চলছে।

যুগের চাহিদা পূরণের নিমিত্ত এবং সুবিন্যস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে ২০১২ সালের ৭ মে সরকারি অনুমোদন নিয়ে উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচনে সহায়তা করতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সুপরিকল্পিত ও গঠনমূলক উদ্যোগে প্রায় চার বিঘা জমির উপর নির্মিত চার তলা ভবন নিয়ে আমিরজান কলেজের শুরু হয় শুভযাত্রা। অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপক মন্ডলী, দক্ষ ও বিষয়ভিত্তিক ১৭ জন প্রভাষকের সমন্বয়ে এবং একজন অভিজ্ঞ ও আদর্শ অধ্যক্ষ-লে. কর্নেল আনোয়ারুল ইসলাম খান (অবঃ) স্যারের নিদের্শনায় বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক এ তিনটি বিভাগে মোট ৩১৮ জন শিক্ষার্থী নিয়ে আমিরজfন কলেজের শুরু হয় পথ চলা।

আমিরজান কলেজের শ্লোগান হচ্ছে,-“শিক্ষা ব্রতে এসো, সেবার তরে যাও।” Quality education is our mission. - অর্থাৎ “মান সম্মত শিক্ষাই আমাদের লক্ষ্য।” বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে যুক্ত হয়েছে আরও একটি ছয় তলা ভবন যাতে রয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, সুবিশাল গ্রন্থগার, সুসজ্জিত ও সৃবৃৎ অডিটোরিয়াম এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বহুতল ভবনে উঠানামা করার জন্য লিফ্‌ট। দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আমিরজান ছাত্র হোস্টেল (নিজস্ব ১০ তলা ভবন) এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা।প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাকার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুশিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমানে ৩৩ জন প্রভাষক কর্মরত আছেন।

শিক্ষাসম্মপূরক কার্যক্রমে এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। তাই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকার্যক্রমের পাশাপাশি মেধা বিকাশ, উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলার জন্য সহশিক্ষাকার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

[/one]

How we got started

Stay in touch with us